Monday, 25 January 2021
Sunday, 10 January 2021
Sunday, 20 December 2020
Tuesday, 8 December 2020
Monday, 7 December 2020
Wednesday, 2 December 2020
Sunday, 29 November 2020
Monday, 9 November 2020
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সব বিষয়ের মান বণ্টনের সম্ভাব্য বিভাজন
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সব বিষয়ের মান বণ্টনের সম্ভাব্য বিভাজন
বেকার জীবন
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সব বিষয়ের মান বণ্টনের সম্ভাব্য বিভাজন
৪০হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় : যা পড়বেন, যা পড়বেন না
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা মান বণ্টনের সম্ভাব্য বিভাজনঃ মানবণ্টনঃ ১/বাংলা—২০ ২/ইংরেজি—২০ ৩/গণিত—২০ ৪/বাংলাদেশ বিষয়াবলী,আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী, সাধারণ জ্ঞান,দৈনন্দিন বিজ্ঞান,কম্পিউটার —২০ #বাংলা(২০) ★ব্যাকরন—১৬ ★বাংলা সাহিত্য—৪ ★বর্ণ ও ধ্বনি,দ্বিরুক্ত শব্দ—২ ★সন্ধি—১ ★বাক্য শুদ্ধি ও বানান—৩ ★সমাস—২ ★প্রকৃতি ও প্রত্যয়—১ ★শব্দ—১ ★বিপরীত শব্দ—১ ★সমার্থক শব্দ—১ ★বাগধারা —১ ★এককথায় প্রকাশ—১ ★পদ প্রকরণ—২ ★কারক ও বিভক্তি —২ ★বাক্য প্রকরণ—১ ★উপসর্গ,অনুসর্গ —১ ★কাল,যতিচিহ্ন —১ ★আধুনিক
যুগ,কবি রবি, নজরুল —১ ★পত্রিকার সম্পাদক,ছদ্মনাম, উপাধি —১ ★মুক্তিযুদ্ধ গ্রন্থ, উপন্যাস —১ #ইংরেজি(২০) ★ Grammar —13/14 ★ Vocabulary (মুখস্ত part)—6/7 ★ Literature —1 ★ Parts of Speech—2 ★ Tense/ Right form of verb—1 ★ Fill in the blank with appropriate / Preposition —3 ★ verb, Gerund, Participle—1 ★ Number, Gender —2 ★ Voice —1 ★ Narration —2 ★ Sentence Correction —2 #মুখস্ত
Part: ★ Spelling —1 ★ Synonym+Antonym—2 ★ Phares —2 ★ One word substitution —1 ★ Proverbs/Translation — 1 #গণিত(২০) ★ পাটি গণিত —১২/১৩ ★ বীজ গণিত—৫/৬ ★ জ্যামিতি —৪/৫ *পাটি গণিতঃ ★ সংখ্যা,মৌলিক সংখ্যা—২ ★ দশমিক ভগ্নাংশ—১ ★ শতকরা—১ ★ ল.সা.গু—গ.সা.গু—১ ★ ঐকিক নিয়ম— ১ ★ অনুপাত,সমানুপাত —১ ★ ধারা বা অনুক্রম —১ ★ বয়স,গড়ের অংক— ২ ★ লাভ-ক্ষতি — ১ ★ সুদ-কষা — ১ *বীজ গণিতঃ ★ মান নির্ণয়, উৎপাদক—২ ★ সরল সমীকরণ —১ ★ সূচক ও লগারিদম— ১ *জ্যামিতিঃ ★ রেখা,কোণ—১ ★ ত্রিভুজ —২ ★ চতুর্ভুজ,বৃত্তের ধারণা,বেসিক সূত্রের অংক সমূহ—১ ★ পরিমিত —২ #সাধারণ জ্ঞান,কম্পিউটার, দৈনন্দিন বিজ্ঞানঃ(২০) ★ বাংলাদেশ—১০ ★ আন্তর্জাতিক — ৫ ★ বিজ্ঞান—৪ ★ কম্পিউটার —২ *বাংলাদেশঃ ★ বাংলাদেশের
ভৌগোলিক অবস্থান,আয়তন,সীমানা—১ ★ জনসংখ্যা,উপজাতি —১ ★ বাংলাদেশের ঐতিহ্য,স্থাপনা,নিদর্শন —১ ★ প্রাচীন বাংলার ইতিহাস,ইংরেজ,ব্রিটিশ শাসন—৩ ★ ভাষা আন্দোলন,মুক্তিযুদ্ধ —৩ ★ সংবিধান, প্রশাসনিক কাঠামো—২ ★ খেলাধুলা, অর্জন,পুরস্কার— ১ ★ অন্যান্য-বাংলাদেশের জনপদ,নদ-নদী,প্রাকৃতিক সম্পদ,অর্থনীতি, বিখ্যাত স্থান,জাতীয়
দিবস। *আন্তর্জাতিকঃ ★ মহাদেশ পরিচিতি—১ ★ ভৌগোলিক উপনাম,সীমারেখা, প্রণালী, দ্বীপ,সাগর,মহাসাগর—১ ★ চুক্তি, সম্মেলন— ১ ★ সংগঠন,সংস্থা,দেশ,রাজধানী, জাতিসংঘের অঙ্গসংগঠন —১ ★ পুরস্কার, খেলাধুলা ইত্যাদি— ১ #বিজ্ঞানঃ(৩) ২/৩টি কমন প্রশ্ন আসবে বিগত সাল+ বিসিএস বিগত সাল #কম্পিউটারঃ(১) ২/১টি প্রশ্ন থাকবে বিসিএস বিগত সাল চর্চা করা যেতে পারে।
১৫ নভেম্বর স্কুল খুললে যেসব শ্রেণির জন্য ৩০ দিনের সিলেবাস
১৫ নভেম্বর স্কুল খুললে যেসব শ্রেণির জন্য ৩০ দিনের সিলেবাস
বেকার জীবন
১৫ নভেম্বর স্কুল খুললে যেসব শ্রেণির জন্য ৩০ দিনের সিলেবাস
আগামী রোববার (১ নভেম্বর) থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য প্রস্তুত করা ৩৯ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস বাস্তবায়ন শুরুর কথা ছিল। কিন্তু ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার কারণে এই সিলেবাস বাস্তবায়ন হচ্ছে না। তবে ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করা হচ্ছে। যদি ১৫ নভেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয় খোলা সম্ভব হয়, তাহলে ৩০ দিনের সিলেবাস বাস্তবায়ন করা হবে শিক্ষার্থীদের মৌলিক সক্ষমতা (কোর কম্পিটেন্ট) অর্জনের জন্য। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে—নতুন করে ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাকাডেমি (নেপ)। যদি ১৫ নভেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা যায় তাহলে ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস
বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। আর সেটাও না করা গেলে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের স্ব-স্ব বিদ্যালয় নিজস্বভাবে পাসের সনদ দিতে হবে। সব মিলিয়ে প্রাথমিকের সব শ্রেণিতেই অটো পাস পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত। ছুটির কারণে নেপকে বলা হয়েছে শিক্ষার্থীদের মৌলিক সক্ষমতা (কোর কম্পিটেন্ট) অর্জনের জন্য নতুন করে ৩০ দিনের সিলেবাস প্রস্তুত করতে। যদি ১৫ নভেম্বরে বিদ্যালয় খোলা যায় তাহলে ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস বাস্তবায়ন করা হবে। খোলা না গেলে তা হবে না। করোনা মহামারির কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে না পারায় বাতিল করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও সমমানের পাবলিক পরীক্ষা। একইভাবে বাতিল করা হয়েছে অষ্টম শ্রেণির পাবলিক পরীক্ষা জেএসসি-জেডিসি এবং এইচএসসি। পঞ্চম শ্রেণির পাবলিক পরীক্ষা বন্ধের পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিয়েছিল পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মৌলিক সক্ষমতা (কোর কম্পিটেন্ট) অর্জনের জন্য অক্টোবর থেকে একটি এবং নভেম্বর থেকে একটি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রস্তুত করার। এরপর যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হয় তাহলে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস বাস্তবায়ন করা। এর উদ্দেশ্য ছিল পরবর্তী শ্রেণিতে যাতে শিক্ষার্থীরা পাঠগ্রহণের সক্ষমতা অর্জন করে। এছাড়া এই সিলেবাস বাস্তবায়নের মাধ্যমে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বার্ষিক মূল্যায়ন করার কথা ছিল। কিন্তু করোনা মহামারি কারণে দুটি সংক্ষিপ্ত সিলেবাসই বাতিল করা হলো। তবে হাল ছাড়তে চায়নি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আবারও ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করা হচ্ছে। যদি এটিও বাস্তবায়ন করা না যায় সেক্ষেত্রে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে অটো পাস। নতুন করে তৈরি করা ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস বাস্তবায়ন না গেলে স্ব-স্বল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজস্ব পদ্ধতিতে পঞ্চম শ্রেণির সনদ দেবে। মন্ত্রণালয়ের জরিপ অনুযায়ী গত ১৭ মার্চ থেকে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ ৭১ কার্যদিবস বিদ্যালয় বন্ধ। সে কারণে পঞ্চম শ্রেণির ৪০৬টি স্বাভাবিক পাঠদান সম্ভব হয়নি। গত ১৭ মার্চ পর্যন্ত ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ পাঠদান সম্পন্ন হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রাথমিক ও ইবতেদায়ির শিক্ষা সমাপনী
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মূল্যায়নের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হবে। তবে পুরো বিষয়টি কীভাবে অনুষ্ঠিত হবে তা নির্ভর করছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও করোনার পরিস্থিতি অনুযায়ী। এদিকে সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা বলা হয়, গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় প্রাথমিক স্তরের প্রায় দেড় কোটি শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটির আগে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ শিখন সম্পন্ন হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পোষাতে সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা করা হয়েছে।
প্রাথমিকে শিক্ষক বদলি এবছর হচ্ছে না
প্রাথমিকে শিক্ষক বদলি এবছর হচ্ছে না
বেকার জীবন
প্রকাশিত হয়েছেঃ 09:37 PM, 08 November 2020
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
চলতি বছরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি কার্যক্রম চালু হচ্ছে না। ২০২১ সালের জানুয়ারি কিংবা ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হতে পারে। সেসময় নিয়ম অনুসারেই বদলি কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। দুর্নীতি ও ভোগান্তি দূর করতে অনলাইনে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার সুযোগও থাকবে। শিক্ষা অধিদফতের একটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। দু’বছর পর চলতি
শিক্ষাবর্ষে এসেই পুনরায় চালু হয়েছিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি কার্যক্রম। তবে লকডাউনের কারণে মাত্র আঠারো দিনেই বন্ধ করতে হয়েছে কার্যক্রম। লকডাউনের পর অফিস কার্যক্রম নতুন করে চালু হলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, এ বছরেই অনলাইনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি করা হবে। ফলে
বদলি নিয়ে শিক্ষকদের আর হয়রানি, অর্থ ব্যয় ও দালালদের খপ্পরে পড়তে হবে না। কোনো রকম তদবির ছাড়া ঘরে বসেই আবেদন করে বদলি হতে পারবেন শিক্ষকরা। মন্ত্রণালয় বলছে, শিক্ষক বদলির জন্য যে সফটওয়্যারটি ডেভেলপ করা হয়েছে সেটিকে আরো বেশি কার্যকর করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। অনলাইনের বদলি কার্যক্রমটিকে আরো বেশি নির্ভুল করতে অধিকতর
থেকে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এছাড়া পুরনো সচিবের বিদায় ও নতুন সচিব দায়িত্ব নেয়ার জন্য কিছুটা সময় লাগছে। অধিদফতরেও এসেছেন নতুন মহাপরিচালক। তবে মন্ত্রণালয় আশা করছে, নতুন দায়িত্ব নেয়া সচিব ও মহাপরিচালক কাজটিকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাবেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহাম্মদ মনসুরুল
আলম বলেন, আমি দায়িত্ব নেয়ার পর বিষয়টিতে চোখ বুলিয়েছি। এই সপ্তাহেই আমরা একটি সিদ্ধান্তে আসবো। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব ও সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, এটি তো শিক্ষকদের অনেক দিনের দাবি। কার্যক্রমটি শুরু করা খুব কঠিন কোনো কাজ নয়। কোনো রকম হয়রানি ও তদবির ছাড়া
যেন দ্রুত অনলাইন শিক্ষক বদলি কার্যক্রম শুরু হয় সেই দাবি জানান তিনি। এদিকে, অনলাইনে বদলিতে প্রতিবন্ধী, গুরুতর অসুস্থ ও বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে এমন কিংবা বিধবা নারী, স্বামী বা স্ত্রী বা সন্তান দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত শিক্ষকদের জন্য আরো সহজ করতে সফটওয়্যারটিকে উন্নতর করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এসব শিক্ষকদেরকে আলাদা করে প্রাধান্য দিতেই
সফটওয়্যারটিকে আরো কিছু কমান্ড দেয়া হচ্ছে। সফটওয়ারটি আবার ট্রায়াল দিয়ে নির্ভুলতা পরিমাপ করেই বদলি চালু করা হবে। উল্লেখ্য, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদলি কার্যক্রম জানুয়ারিতে শুরু হয়ে চলে ৩১ মার্চ পর্যন্ত।
প্রতিবছর এই বদলি নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এসব কারণেই ২০২০ সাল থেকে অনলাইনে প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কার্যক্রম চালু করতে কাজ শুরু করে মন্ত্রণালয়।
সূত্রঃ সোনালীনিউজ
Wednesday, 4 November 2020
Saturday, 31 October 2020
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সার্টিফিকেট সার্ভিসবুকে অন্তর্ভুক্তকরন সম্পর্কে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সার্টিফিকেট সার্ভিসবুকে অন্তর্ভুক্তকরন সম্পর্কে।







